এজিং রুখতে যেভাবে পরিচর্যা করবেন–Click Here

এজিং রুখতে পরিচর্যা
বাড়তে থাকা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেরও পরিবর্তন হয়। ত্বকে যৌবনের জৌলুস ধরে রাখতে কী কী করবেন? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ বিউটিশিয়ান।
আমার বয়স ৪০। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমে যাওয়ার ফলে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আমার ত্বকের যত্ন কিভাবে নেব যাতে ত্বক টানটান থাকে?
কমলিকা সেন, গরফা
প্রথমেই বলব মুখে সাবান ব্যবহার করবেন না। কোনও ক্লেনজ়িং ক্রিম সকালে ও রাতে হাল্কা হাতে মুখে লাগিয়ে নিন। তারপর ভিজে তুলো দিয়ে মুছে মুখ পরিষ্কার করুন। ঠান্ডা গোলাপ জলে তুলো ভিজিয়ে টোনার হিসাবে লাগান। রাতে ভালো নারিশিং ক্রিম নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা জল মিশিয়ে মুখে লাগান। সবসময় মুখের ভিতরের দিক থেকে বাইরের দিকে আপওর্য়াড স্ট্রোকে লাগাবেন। শুতে যাওয়ার আগে ভিজে তুলো দিয়ে মুছে নেবেন। সপ্তাহে একদিন ফেসিয়াল ও ম্যাসাজ করাতে পারেন।
কিভাবে ত্বকের যত্ন নেব যাতে বয়সের ছাপ আটকানো যায়? ঘরোয়া উপায় জানালে খুব উপকৃত হব।
অন্তরা সরকার, রিষড়া
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেহেতু ত্বকের নিজস্ব ক্ষমতা কমতে থাকে, তাই ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। রোদে বেরোনোর আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। নিয়মিত মাস্ক বা স্ক্রাব ব্যবহার করে ত্বকের এক্সফোলিয়েশন করলে, ত্বকের নতুন কোষ তৈরি হওয়ার পদ্ধতি দ্রুততর হয়। ফলে ত্বকের যৌবন বজায় থাকে। চোখের চারপাশের ত্বক খুবই কোমল হয় এবং বয়সের ছাপও খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশ পায়। তাই ওই অঞ্চলের ত্বকের পরিচর্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাল্কা হাতে কোনও আই ক্রিম বা লোশন নিয়ে ম্যাসাজ করুন। বয়সের ছাপ, বলিরেখা ইত্যাদি যাতে কম দেখা যায় তার জন্য সপ্তাহে একদিন করে টোনিং ও ম্যাসাজ সমেত ফেসিয়াল করুন। মধু ও অল্প দুধ একসঙ্গে মুখে লাগান প্রত্যেকদিন। ১৫ মিনিট পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ময়েশ্চারাইজ়ার যুক্ত ক্লেনজ়ার, মাস্ক এবং মেকআপ ব্যবহার করুন।
অ্যান্টি এজিং-এর জন্য কোন ধরনের প্রোডাক্ট সবচেয়ে উপকারী?
দীপ্তি ঘোষ, মধ্যমগ্রাম
অ্যান্টি এজিং-এর জন্য ময়েশ্চারাইজ়ার ও অ্যালোভেরা যুক্ত ক্লেনজ়িং জেল ব্যবহার করুন। গোলাপ বেসড্ টোনার মুখে লাগান। সানস্ক্রিন লোশনও খুব গুরুত্বপূর্ণ। নারিশিং ক্রিম ত্বকের আদ্রর্তা ধরে রেখে ত্বককে দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে। বেশিরভাগ সানস্ক্রিনই ত্বককে ময়েশ্চারাইজ় করে। চোখের চারপাশ এবং হাতে বয়সের ছাপ খুব সহজেই চলে আসে বলে ভাল আন্ডার-আই ক্রিম ও হ্যান্ড ক্রিমও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখন বিভিন্ন স্প্রে বোতলে ময়েশ্চারাইজ়ার পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্রাব ও মাস্ক ত্বকের মৃত কোষ তুলে নতুন কোষ তৈরিতে এবং ত্বকের জেল্লা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।